Sunday, 18 July 2021

মুফতি আব্দুল কাইউম সাহেবের নামে এত মিথ্যাচার কেনো ??

Muhammad Abdul Kayum
মোঃ আব্দুল কাইউম
মুফতি আব্দুল কাইউম সাহেবের নামে এত মিথ্যাচার কেনো ??

 কোন হাক্কানী আলিমের সমলোচনা করার উদ্দেশ্য কি? যোগ্য আলিম'রা যদি না থাকত আমরা দ্বীন থেকে বে-দ্বীন হতাম। 
কোন ভাল আলিমের প্রতি,হিংসা,মিথ্যাচার,করলে আল্লাাহর গজব পড়বে! আল্লাহ ক্ষমা করুন। 
আসুন দেখা যাক,যোগ্য আলিমের সন্মান কত: قال الله تعالى هل يستوي الذين يعلمون والذين لا يعلمون 
: قال رسول الله صلى الله عليه و سلم :"ففيه واحد أشد على الشيطان من الف عابد".:رواه الترمذيى وابن ماجه" ان العلماء ورثة الانبياء":رواه اترمذى وابو داود،و ابن ماجه
"فضل العا لم على العابد كفضلى على ادناكم":رواه الترمذي 
"من دل على خير فله مثل اجر فا عله : رواه مسلم
"من يرد الله به خيرا يفقهه فى الدين":3متفق عليه

আলোচ্য ব্যক্তি সম্পর্কে কিছু কথা শেয়ার করিঃ-
নামঃ- আব্দুল কাইউম(আলহাজ হাফিয মাওলানা মুফতি আব্দুল কাইউম সাহেব) পিতা-আলহাজ হাফিয শামছুর রহমান, মাতা-ফাতিমা খাতুন,(পিতা মাতা খুবই ধার্মিক) সাং বৈকারা থানা বাদুড়িয়া উত্তর ২৪ পরগনা। পশ্চিমবঙ্গ (ভারত)।
ছাত্র জীবনে তিনি অত্যান্ত পরিশ্রমী,মেধাবী ছিলেল, রাত জেগে জেগে পড়াশুনা করা তার প্রতিদিনের অভ্যাস ছিল। মাদ্রাসা বোর্ডে,বিভিন্ন পরিক্ষায় তিনি দ্বিতীয় তৃতীয় বা প্রথম স্হান পান, শিক্ষকতার মাধ্যমে তিনি কর্ম জীবন শুরু করেন। অত্যান্ত দরিদ্র পরিবার থেকে তিনি আজ----------------------------------------------------- সফলাতার উচ্চ আসনে, আল্লাহ তায়ালা কবুল করুন। 

*মুফতি আব্দুল কাইউম : আহলুস্সুন্নাত অল জামাত আকিদার পূর্ণ অনুসারী,আল্লামা হুজুরের কেতাবের গবেষক।
**হানাফি মাযহাবের অনুগামী বিচক্ষণ ফকিহ।
***সিলসিলায়ে মুজাদ্দিদে যামানের মতাদর্শের (তরিকার)ধারক বাহক। 
****পবিত্র কুরআনুল কারিমের মুকাম্মাল হাফিয।
***** দীর্ঘ 27বছর (আমিনিয়া মাদ্রাসা, আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, জামিয়া রহমানিয়াতে) হাদীসের খিদমাত কারী- শায়খুল হাদীস।
****** বাঙালী সমাজে একজন শ্রেষ্ঠ ফাতওয়া দানকারী মুফতি হিসাবে খ্যাতি লাভ কারী। 
******* বিদয়াতি মতবাদের বিরুদ্ধে দম্ভচুর্ণকারী মুবাহিছ।
******** ওয়ায়েজিন হিসাবে তিন দশক তাঁর রেকর্ড বাংলার মধ্যে বে-নজির। 
********* হাদীস শাস্ত্রে তিনি যোগ্য মুহাদ্দিস।
**********তাফসীর শাস্ত্রে তিনি ভাল মুফাস্সিরে কুরআন। 
**********তিনি মুছান্নিফ,তাঁর লেখা অনেক গুলি কিতাব (পুস্তিকা) আছে। 
***********তাঁর অসংখ্য ছাত্র আছে ,হাজারও আলিমের উস্তাদ তিনি। তাঁর জীবন ইলমের খিদমাতেই কেটে যাচ্ছে। 

************* তিনি সমাজে সেবা মূলক বহু কাজ করেছেন,কয়েকটি সংগঠনের প্রধান দায়িত্ব পালন করছেন(অলইন্ডিয়া সুন্নাতুল জামাত, মাদরিবী বাঙ্গাল আন্জুমানে ওয়েজিন, বে-সরকারী মাদ্রাসা বোর্ড, কেরল মডেল ইসলামী স্কুল সেল ইত্যাদি)
************* জামিয়া রহমানিয়া তাঁর দীর্ঘ মেয়াদি স্বপ্ন যেখান থেকে মুকাম্মাল হাফিয( দাওরা বিভাগ ) ক্বারী, দাওরায়ে হাদীস, ইফতা, আরবী সাহিত্যে অনার্স কোর্স চলছে, তাফসীর, হাদীস ও ফিকাহ শাস্ত্রের উপর গবেষণা কেন্দ্র গড়া হচ্ছে। 

*************** তাঁর প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় আটটি(নারী শিক্ষা কেন্দ্র )মহিলা মাদ্রাসা চলছে,খাদিজাতুল কুবরা রাঃ বালিকা মাদ্রাসা(দাওরায়ে হাদীস সহ)জীবনতলা আমিনিয়া বালিকা মাদ্রাসা,
দক্ষিণ বরুনী সিদ্দিকিয়া আমিনিয়া বালিকা মাদ্রাসা, 
রাজাপুরে জীবন নেছা বালিকা মাদ্রাসা, চিস্তিয়া মাদ্রাসাতুল বানাত,
 আয়েশা সিদ্দিকা রাঃ বালিকা মাদ্রাসা ইত্যাদি। এছাড়া অনেক গুলি হিফয,মাওলানা বিভাগ- মাদ্রাসা তাঁর নির্দেশনা বা তত্ত্ববোধনে চলছে,কয়েকটি তুলে ধরা হল-- হাড়োয়া খারেজি মাদ্রাসা, ভবানীপুর সিদ্দিকিয়া আমিনিয়া মাদ্রাসা, বৈকারা হিফয-হাই মাদ্রাসা,রাধানগর খারেজি মাদ্রাসা, জামপুর হানাফিয়া মাদ্রাসা, লবঙ্গ মাদ্রাসা কাঠজালা খারেজি মাদ্রাসা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা।বালতি সিনিয়ার আমিনিয়ী মাদ্রাসা ।
সন্তোষপুর হানাফিয়া মাদ্রাসা, হুগলী, ডাশপাড়া খারেজি মাদ্রাসা,হাওড়া ইত্যাদি। 
@তিনি যথেষ্ট তাকওয়াদার,তাহাজ্জুদ গুজারী, সুন্নাত মত জীবন যাপন করার চেষ্টা ও তরিকা মশক্ কারী ,আমানতদারী,ওয়াদা পূরণকারী, সত্যবাদী, না্য়পরায়ণ সাহসী ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদি এবং খুবই রাগন্বিত।
মানুষ হিসাবে তিনি ভুলের উর্ধে নয়, তবে তাঁর মত বহু গুন সমপন্ন ব্যক্তিকে যে বা যারা হেয় প্রতিপন্ন করতে চাইছে তাদের যোগ্যতা কতটা??? মনে থাকা দরকার,তিনি তাঁর স্হানে আছেন ও থাকবেন ইনশাআল্লাহ। আর কূটচক্রি হিংসুকের পরিনতি হবে এমনই । দৃষ্টান্তঃ---ইবলিছ (আযাজিল) আদম আ: প্রতি হিংসা করে কিছুু করতে পারেনি ! সে নিজেই শয়তান হল। না-আয়ুযুবিল্লাহ।
Dr. Abdul Kayum

তারিখ- 14/07/2021
✍✍লিখেছেন-  মুুুফতি ইসমাইল সাহেব, 
(পরিচালক- আয়েশা সিদ্দিকীয়া (রাঃ) বালিকা মাদ্রাসা) 
(সদস্য- মাগরিবী বাঙ্গাল আঞ্জুমানে অয়েজিন) 

Published by- Jakir Hossain
 
www.aisjamayat.com

Saturday, 27 March 2021

ইসলামে শাবান মাসের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত।

ইসলামে শাবান মাসের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত।ইসলামে শাবান মাসের চৌদ্দ তারিখ দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত।

 হজরত আলী (রা.) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন অর্ধশাবানের রাত আসে তখন তোমরা রাত জেগে ইবাদত কর এবং পরের দিনটিতে রোজা রাখ। কেননা এ রাতে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে মহান আল্লাহ পৃথিবীর আকাশে অবতরণ করেন এবং বলতে থাকেন, কোনো ক্ষমা প্রার্থী আছে কি? আমি তাকে ক্ষমা করব। কোনো রিজিক প্রার্থী আছে কি? আমি তাকে রিজিক দান করব। কোনো বিপদগ্রস্থ আছে কি? আমি তাকে বিপদমুক্ত করব। আর সুবহে সাদেক পর্যন্ত এ ডাক অব্যাহত থাকে । (ইবনে মাজাহ)।
শবে বরাতের ফজিলত বিষয়ে এ হাদিসটি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ও গ্রহণীয়। এ রাতের সব ফজিলত এ একটি হাদিসের মাধ্যমেই বুঝে আসে। এ রাতের প্রার্থনার মাধ্যমে আল্লাহ তাওবাকারীকে ক্ষমা করে দেবেন, অভাবীকে রিজিক দেবেন, বিপদগ্রস্থকে বিপদ মুক্ত করবেন।
হজরত আয়েশা (রা.) এর ভাষায় কোনো এক শাবান মাসের অর্ধ রাতে নবী করীম (সা.)- কে বিছানায় পাওয়া যাচ্ছিল না। খুঁজে দেখা গেল তিনি মদিনার বাকীউল গারকাদ বা জান্নাতুল বাকীতে কবর জিয়ারত করছেন। (মুসলিম)। প্রকৃতপক্ষে রমযান মাসের প্রস্তুতি গ্রহণের মাস হিসাবে শাবান মাস একটি গুরুত্বপূর্ণ মাস। নবী করীম স. শাবান মাসে এ দোআটি বেশি বেশি করতেন, ‘আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শাবানা, ওয়া বাল্লিগনা রামাজান।’ অর্থ : ‘হে আল্লাহ রজব ও শাবান মাসকে আমাদের জন্য বরকতময় করুন এবং রমযান পর্যন্ত আমাদেরকে পৌঁছার তওফীক দিন’। রমজানের প্রস্তুতি হিসাবে নবী করীম এ মাসে বেশি বেশি করে নিজেও রোজা রাখতেন এবং সাহাবীদেরকেও রোজা পালন করতে বলতেন।
হজরত আয়েশা (রা.) হতে বর্ণিত নবী করিম (সা.) শাবান মাসের চেয়ে বেশি আর কোনো মাসে নফল রোজা রাখতেন না। বলতে গেলে প্রায় পুরো শাবান মাসই রোজা রাখতেন। অন্য রাওয়ায়াতে বলা হয়েছে তিনি শাবান মাসে স্বল্পসংখ্যক রোজা রাখতেন। (বুখারী ও মুসলিম)। রমজান মাসের প্রস্তুতি হিসেবে শাবান মাসের অন্যতম নফল ইবাদত রোজা পালন হিসাবে নিসফে শাবান তথা বরাতের আগে পরে মিলিয়ে কমপক্ষে দুটো রোজা পালন করা উচিৎ। তাছাড়া প্রতিচন্দ্র মাসের তের, চৌদ্দ ও পনের তারিখে ‘আইয়াম বীযের’ তিনটি নফল রোজা পালন করার ওপর নবী করিম (সা.) অত্যধিক গুরুত্ব আরোপ করেছেন।
হজরত আবু যর (রা.) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যখন তুমি মাসে তিনটি রোজা রাখতে চাও, তখন তের, চৌদ্দ ও পনের তারিখে রোজা রাখ। (তিরমিযি)। হজরত কাতাদাহ থেকে বর্ণিত নবী করিম (সা.) আমাদেরকে আইয়ামে বীযের রোজা রাখার হুকুম দিতেন আর আইয়ামে বীযের দিনগুলো হচ্ছে মাসের তের, চৌদ্দ ও পনের তারিখ। (আবু দাউদ)। কেউ যদি নিসফে শাবান বা বরাতের রাত পালন উপলক্ষে শাবান মাসের তের, চৌদ্দ ও পনের তারিখের তিনটি নফল রোজা রাখে তবে সে এই সুবাদে আইয়ামে বীযের নফল রোজার সওয়াবও পেয়ে যায়।

এ রাতের করণীয় : ১। ইসলামে নফল ইবাদত ঘরে আদায় করা উত্তম বলে উল্লেখ করা হয়েছে। শবে-বরাতে নফল ইবাদতগুলো অতি উত্তম, তবে এবার যেহেতু পরিস্থিতি অন্যরকম এবং প্রায় সর্বত্র মসজিদসমূহে রাষ্ট্রীয় বা সরকারি কড়াকড়ি আরোপিত হয়েছে, সেহেতু শবে-বরাতের যাবতীয় ইবাদত ঘরেই সমাধা করা উচিত।

২। শবে-বরাতের নফল নামাজ আদায়ের জন্য রাকাতের সীমা ও সূরা নির্ধারিত নয়, তাই যার যার খুশিমত এবং সাধ্যানুযায়ী পাঠ করবেন।

৩। এ রাতে নফল ইবাদত হিসেবে নামাজ এবং পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা অতি উত্তম। কোরআন তেলাওয়াতে সক্ষম ব্যক্তি ঘরে বসেই যত বেশি সম্ভব তেলাওয়াত করবেন। যারা কোরআনের বিভিন্ন সূরা সমন্বিত দোয়া-দরুদ ও অজিফা পাঠে অভ্যস্ত, তারা এ রাতে এগুলো পাঠ করতে পারেন।

৪। বহু প্রকারের তাসবীহ, তাহলীল, দোয়া, ইস্তেগফার, দরুদ শরিফ এবং মোনাজাত রয়েছে, যার পক্ষে যা সুবিধাজনক ও সহজ হয় তিনি তা পাঠ করবেন ।

৫। আজকাল বাংলা ভাষায় দোয়া-দরুদ সংক্রান্ত ভালো ভালো বই-পুস্তক পাওয়া যায়। মূল আরবি এবং বাংলা উচ্চারণ ও অনুবাদসহ প্রকাশিত এসব বই-পুস্তক হতে শবে-বরাতে পাঠ করা যেতে পারে।

৬। বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে সময় অধিক ব্যয় না করে এ পবিত্র রজনীতে আল্লাহর এবাদত বন্দিগীতে আত্মনিয়োগ করাই শ্রেয়।

৭। এ পবিত্র ও সৌভাগ্যময় রজনী প্রত্যেক মোমেন মুসলমানের স্বীয় গোনাহ মাফ করানোর এবং ভাগ্যোন্নয়নের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে চাওয়া-পাওয়ার উপযুক্ত সময় বলে বিভিন্ন হাদিস হতে জানা যায়। সুতরাং অবহেলায় এ সময় আল্লাহর অসীম বরকত ও রহমত হতে বিরত থাকা উচিত নয়। এরূপ সৌভাগ্যময় রাত জীবনে আর নাও আসতে পারে।

৮। সর্ব প্রকারের রোগ-বালাই, বিপদাপদ, অভাব-অনটন ইত্যাদি হতে সুরক্ষার জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করার জন্য উপযুক্ত সময় এ রাত।

৯। সর্ব প্রকারের পাপাচার হতে রক্ষা এবং সমগ্র মানবের কল্যাণ, শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য দোয়ার মাধ্যমে এ রাত অতিবাহিত করা এবং পরবর্তী সময়েও তা অব্যাহত রাখা উচিত।
এ রাতের আরেকটি আমল আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীর কবর জিয়ারত। দুর্বল হাদিস দ্বারা এটি প্রমাণিত হলেও ইসলামী শরীয়ত যেহেতু ‘কবর জিয়ারত দ্বারা জিয়ারতকারীর উপকার হয়। কবর দেখে সে আখেরাতমুখী হওয়ার সুযোগ পায় এ কারণে কবর জিয়ারত বৈধ করেছে সুতরাং শরীয়তের বিধান পালন করে, এরাতেও আত্মীয়-স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর কবর জিয়ারত করা যেতে পারে।
হাদিস শরিফে বলা হয়েছে, ‘হজরত বুরাইদা (রা.) হতে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘আমি ইতোপূর্বে তোমাদেরকে কবর জিয়ারত করতে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা কবর জিয়ারত কর। অন্য রিওয়ায়াতে আছে, এটা পরকালকে স্মরণ করিয়ে দেয়। (মুসলিম)। শবেবরাত পালনে আরেকটি প্রথা প্রচলিত আছে, তা হচ্ছে- এ রাতে আতশবাজী ও হালুয়া রুটি বিতরণ। ইসলামি শরীয়ত আতশবাজীর বৈধতা দেয় না। আর হালুয়া রুটি বিতরণের মাধ্যমে মেহমানদারী বা অন্নহীনদের অন্নদান হলেও বিশেষ করে এই রাতে হালুয়া রুটির ছড়াছড়ি করার অনুমতি দেয় না।

∆∆∆
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’ তথা শাবান মাসের মধ্য রাতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর আমল করার তাওফিক দান করুন। সুন্নাহ বহির্ভূত কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। এ রাত সম্পর্কে বিতর্ক, বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি পরিহার করার তাওফিক দান করুন।
                  আমিন। 🤲🤲

#শবে_বরাত
#Shabe_Barat

শবে বরাত - ফজিলত ও আমল - করণীয় ও বর্জনীয় ও বিদআত |

শবে বরাত - ফজিলত ও আমল - করণীয় ও বর্জনীয় ও বিদআত শবে বরাত - ফজিলত ও আমল - করণীয় ও বর্জনীয় ও বিদআত ||| 

"শবে বরাত"। শাবান মাসের দিবাগত ১৪ তারিখের রাতকে শবে বরাত বা লাইলাতুল বরাতের রাত বলা হয়। শবে বরাত শব্দটি একটি পারিভাষিক শব্দ। ফারসি ভাষা থেকে আগত এই শব্দের অর্থ হলো: "শব" শব্দের অর্থ রাত, "বরাত" শব্দের অর্থ ভাগ্য। এক কথায় যার অর্থ ভাগ্য রজনী। কোথাও আবার গুনাহ মাফের মুক্তি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
কুরআন বা হাদিসে শবে বরাতের কথা কোথাও উল্লেখ নাই। নবী করীম (স:) ও সাহাবীরা যে শব্দটি ব্যবহার করেছেন তা হলো: "লাইলাতুন নিসফি মিনাশ শাবান"। এই মহিমান্বিত রাতের মধ্যে রয়েছে গুনাহ থেকে মুক্তি ও কল্যাণ লাভের অফুরন্ত সুযোগ। এই মাস প্রচুর নেকি ও কল্যাণের মাস এইজন্যই মাসের নাম রাখা হয়েছে শাবান। আল্লাহ তায়ালা উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য যে ফজিলত ও দৈনিক শবে বরাতের রাত মনে করেন।
 "আল্লাহ তাআলা কুরআন মজীদে বলেনঃ" হামিম" শপথ! উজ্জ্বল কিতাবের। "ইন্না আনযালনাহু ফি লাইলাতিম মোবারকাতিন ইন্না ইন্না কুন্যা মুঞ্জিরিন" - অর্থ আমি একে অবতীর্ণ করেছি, এক বরকতময় রাত্রে। নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী। - (সুরা দুখান আয়াত নাম্বার ৩)"
মুফাসসিরগণ বলেন: এখানে লাইলাতুল মোবারাকা বা বরকতময় রজনী বলে শাবান মাসের পূর্ণিমা রাত কে বুঝানো হয়েছে।(তাফসীরে মাযহারী, রুহুল মাআনী রুহুল বায়ান) হযরত ইকরিমা (র:) সহ কয়েকজন তাফসীর বিদ থেকে বর্ণিত সুরা দুখানের তিন নাম্বার আয়াতে লাইলাতুল মুবারাকা বলতে যে রাতকে বোঝানো হয়েছে সেটাই "শবে বরাত"। (তাফসীরে মারেফুল কোরআন)

হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা:) থেকে বর্ণিত: একবার রাসূল (স:) নামাজে দাঁড়ালেন এবং এত দীর্ঘ সময় সেজদা করলেন যে আমার মনে হলো তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি তখন তার পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলে নড়া দিলাম তিনি সিজদা থেকে উঠে নামাজ শেষ করে আমাকে লক্ষ্য করে বললেন। হে আয়েশা তোমার কি এ আশঙ্কা হয়েছে? ইয়া রাসুলাল্লাহ (সা:) আপনার দীর্ঘ সিজদা দেখে আমার আশঙ্কা হয়েছে যে আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কিনা! নবীজি (সা:) বললেন তুমি কি জানো এটা কোন রাত? আমি বললাম , আল্লাহ ও আল্লাহর (সা:) ভালো জানেন । তখন নবীজি সাল্লাল্লাহু ওয়া সাল্লাম বললেন এটা হল অর্ধ শাবানের রাত । এ রাতে আল্লাহ তায়ালা তাঁর বান্দাদের প্রতি মনোযোগ দেন। ক্ষমা প্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করে দেন ।অনুগ্রহ প্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন, আর বিদ্বেষ পোষণ কারীদের তাদের অবস্থা তেই ছেড়ে দেন। (শুয়াবুল ঈমান তৃতীয় খন্ড পৃষ্ঠা ৩৮২) হযরত আয়েশা (রা:) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, নবীজি (সা:) এ রাতে মদিনার কবরস্থান জান্নাতুল বাকীতে এসে মৃতদের জন্য দোয়া ও ইস্তেগফার করতেন তিনি আরো বলেন (সা:) তাকে বলেছেন এ রাতে বনি কালবের ভেড়া বকরির পশমের সংখ্যার পরিমাণের চেয়েও বেশি সংখ্যক গুনাগার কে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। (তিরমিজি শরীফ হাদিস ৭৩৯)

শবে বরাতের রাতে যে সমস্ত নফল ইবাদত করতে হবে । (সা:) বলেন যখন শাবানের মধ্যে দিবস আসবে তখন তোমরা রাতে নফল ইবাদত করবে আর দিনে রোজা পালন করবে। এর মধ্যে শ্রেষ্ঠ হল নামাজ সুতরাং নফল ইবাদতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হলো নফল নামাজ। প্রতিটি নফল ইবাদতের জন্য সুন্দর করে অজু করা মুস্তাহাব। বিশেষ ইবাদত এর জন্য গোসল করা ও মুস্তাহাব। ইবাদতের জন্য অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর।
হযরত আলী থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সা:) বলেছেন 14 শাবান দিবাগত রাত যখন আসবে তখন তোমরা এটা ইবাদত-বন্দেগিতে কাটাবে এবং দিনের বেলায় রোজা রাখবে। কারন এদিন সূর্যাস্তের পর আল্লাহ তা'আলা দুনিয়ার আসমানে (১ম আসমান) নেমে আসেন এবং আহ্বান করেন - কোন ক্ষমাপ্রার্থী আছে কি? আমি ক্ষমা করবো। কোন রিযিক প্রার্থী আছে কি? আমি রিজিক দেব। আছো কি কোন বিপদগ্রস্ত? আমি উদ্ধার করব। এভাবে ভোর পর্যন্ত আল্লাহ তা'আলা মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করে আহবান করতে থাকেন। - (ইবনে মাজাহ হাদিস ১৩৮৪)

মধ্য শাবানের নফল রোজা রাসুলুল্লাহ বলেন যখন সাবানের মধ্যে দিবস আসে (সা:) তোমরা রাতে নফল ইবাদত করো দিনে রোজা পালন করো (সুনানে ইবনে মাজাহ) এছাড়া প্রতি মাসের ১৩,১৪,১৫ তারিখ আইয়ামে বীজের রোজা তো রয়েছেই। আদি পিতা হযরত আদম আলাই সাল্লাম পালন করেছিলেন এবং আমাদের প্রিয় নবী ও পালন করতেন। সুতরাং শবে বরাতের রোজা এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। বিখ্যাত মুহাদ্দিস বলেন, এ দিনের রোজা আইয়ামে বীজ অর্থাৎ চান্দ্রমাসের ১৩,১৪,১৫ তারিখের রোজার অন্তর্ভুক্ত (লাতায়িফুল মা'য়ারিফ পৃষ্ঠা ১৫১) এছাড়া মাসের প্রথম তারিখ মধু তারিখ শেষ তারিখ নফল রোজা গুরুত্বপূর্ণ তবে শবে কদরের রোজা এর আওতায় পড়ে। হযরত দাউদ আলাই সাল্লাম এর পদ্ধতিতে একদিন পর একদিন রোজা পালন করলে সর্বোপরি প্রতিটি রোজা হয় এবং শবে কদরের শামিল হয়ে যায়। সর্বোপরি রমজান মাসের রজব ও শাবান মাসের বেশি নফল নামাজ ও নফল রোজা পালন করতেন। শাবান মাসে কখনো কখনো পনেরোটি, কখনো বিশটি কখনো আরো বেশি রাখতেন এমনকি উম্মাহাতুল মুমিনীন মাতাগণ বর্ণনা করেছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এভাবে নফল রোজা রাখা শুরু করতেন মনে হতো তিনি আর কখনো রোজা ছাড়বেন না। (মুসলিম)

শবে বরাত ও হালুয়া রুটি শবে বরাতের সঙ্গে হালুয়া-রুটির একটি বিশেষ প্রচলন আমাদের দেশে দেখা যায়। হালুয়া একটি আরবি শব্দ অর্থ হল মিষ্টি বা মিষ্টান্ন। রাসুলুল্লাহ মিষ্টি পছন্দ করতেন সেটা আমরা সকলেই জানি এবং তিনি গোশত ও পছন্দ করতেন। তবে যাই হোক, শবে বরাত হলো ইবাদতের রাত, দান খয়রাত করা এবং মানুষকে খাওয়ানো ও একপ্রকার এবাদত। তবে এই দিনরাত কে হালুয়া-রুটি তে পরিণত করে ইবাদত থেকে গাফেল হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। তেমনি হালুয়া রুটির উপর ফতোয়া প্রদান দেওয়া কোন জ্ঞানী লোকের কাজ নয়।

শবে বরাতের করণীয় যা যা করা উচিত: নফল নামাজ, তাহিয়্যাতুল অজু, দুখুলুল মসজিদ, আওয়াবীন, তাহাজ্জুদ সালাতুল হাজত, সালাতুত তাসবিহ, নামাজে কিরাত রুকু সিজদা দীর্ঘ করা, পরের দিন রোজা রাখা, কোরআন শরীফ সুরা দুখান ও অন্যান্য ফজিলত এর সূরা সমূহ তেলাওয়াত করা, দুরুদ শরীফ বেশি বেশি পড়া, তওবা-ইস্তেগফার অধিক পরিমাণ করা, দোয়া কালাম করা তাজবি তাহরির জিকির আজগার ইত্যাদি করা, কবর জিয়ারত করা, নিজের জন্য পিতা মাতার জন্য আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব ও সকল মুমিন মুসলমানের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা, এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা।

শবে বরাতের বর্জনীয় যা যা করা উচিত নয় : আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ইবাদত-বন্দেগি না করে বিনা কারনে ঘোরাফেরা করা, অনাকাঙ্ক্ষিত আনন্দ উল্লাস , কথাবার্তা এবং বেপরোয়া আচরণ করা, শুধু তাই নয়, অন্য কারো ইবাদত এর ঘুমের বিঘ্ন ঘটানো, হালুয়া রুটি খাওয়া দাওয়া পেছনে বেশি সময় নষ্ট করা।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে ইসলামের সঠিক বুঝ দান করুন। - 

    __আমিন। 🤲🤲

#Shabe_barat
#শবে_বরাত #ফজিলত_ও_আমল - 
#করণীয়_ও_বর্জনীয়_ও_বিদআত  ||| 

পবিত্র শবে বরাত ফজিলত

শবেবরাত আমল ও ফজিলত
পবিত্র শবে বরাত ২০২১



আগামী ২৮শে মার্চ রবিবার দিবাগত রাত হলো-‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’। যুগ যুগ ধরে মানুষের কাছে শবে বরাত-খ্যাত রাতটি হাদিসে ঘোষিত ‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’ ভাগ্য রজনী হিসেবে ব্যাপক পরিচিত। অথচ হাদিসের বর্ণনায় এটি ক্ষমা কিংবা মুক্তির মাস।

কাঙ্ক্ষিত এ রাতটি নিয়ে যেমন বাড়াবাড়ির শেষ নেই। আবার এ রাতটি একেবারেই মর্যাদাহীন বলেও অনেকে মাত্রাতিরিক্ত ছাড়াছাড়িতে লিপ্ত হয়। আসুন সংক্ষেপে এ রাত সম্পর্কে কিছু কথা জেনে নিই-

শবে বরাত কী?দুইটি শব্দ। একটি আরবি (লাইলাতুল বারাআত) অন্যটি ফার্সি (শবে বরাত)। আরবিতে ‘লাইলাতুল বারাআত’ শব্দ দুটির অর্থ হলো- মুক্তির রাত। আর ফার্সিতে ‘শবে বরাত’ শব্দ দুটির অর্থ দাড়ায়- ‘ভাগ্য রজনী’। কিন্তু হাদিসের পরিভাষায় এ রাতটি ব্যবহৃত হয়- ‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’ বা মধ্য শাবানের রাত।

সুতরাং এ রাতটিকে শবে বরাত কিংবা লাইলাতুল বারাআত না বলে হাদিসে ব্যবহৃত ‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’ বললে বা নামকরণ করলেই তা সুন্দর হয়। তাতে আদায় হবে পরিপূর্ণ সুন্নাত এবং সবার কাছেই হবে গ্রহণযোগ্য।

তাছাড়া নামকরণে বিভেদ কিংবা মর্যাদায় অতিরঞ্জন ও ছাড়াছাড়ি না করে হাদিসের ওপর আমল করাই জরুরি বিষয়। এ রাত সম্পর্কে কী বলেছেন বিশ্বনবি?

হিজরি সালের অষ্টম মাস শাবানে বেশি বেশি নফল রোজা রাখার ব্যাপারে হাদিসের নির্দেশনা রয়েছে। এ মাসের ১৪ তারিখ সন্ধ্যা থেকে শুরু হয় কাঙ্ক্ষিত ‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’ বা শবে বরাত।

হাসান হাদিসের বর্ণনায় এটি বিশেষ ক্ষমার রাত হিসেবে পরিচিত। এ রাতের রিজিক চাওয়ার ব্যাপারেও হাদিসের বর্ণনা এসেছে। তবে এ হাদিসকে অনেকে মাওজু বলেছেন। হাদিসের দুর্বল বর্ণনার পাশাপাশি বিশুদ্ধ বর্ণনায় ক্ষমা ও গোনাহ মাফের বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ওঠে এসেছে-- হজরত আবু মুসা আল-আশআরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে আত্মপ্রকাশ করেন এবং মুশরিক ও হিংসুক ব্যতিত তাঁর সৃষ্টির সবাইকে ক্ষমা করেন।’ (ইবনে মাজাহ)

- হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন, এক রাতে আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে (বিছানায়) না পেয়ে তাঁর খোঁজে বের হলাম। আমি লক্ষ্য করলাম, তিনি জান্নাতুল বাকিতে। তাঁর মাথা আকাশের দিকে তুলে আছেন। তিনি বলেন- ‘হে আয়েশা! তুমি কি আশঙ্কা করেছো যে, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল তোমার প্রতি অবিচার করবেন?আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, তা নয়, বরং আমি ভাবলাম যে, আপনি হয়তো আপনার কোনো স্ত্রীর কাছে গেছেন। তিনি বলেন-‘মহান আল্লাহ মধ্য শাবানের রাতে দুনিয়ার কাছাকাছি আকাশে অবতরণ করেন এবং কালব গোত্রের মেষপালের পশমের চাইতেও অধিক সংখ্যক লোকের গোনাহ মাফ করেন।’ (ইবনে মাজাহ)

সুতরাং হাদিসের দিকে লক্ষ্য রেখে বেশি বেশি নফল রোজা রাখার মাস শাবানের মধ্য রাতের ইবাদত ও ক্ষমা পাওয়ার বিষয়ে অতিরঞ্জন ও বাড়াবাড়ি না করাই উত্তম। নিজ নিজ ঘরে কিংবা একাকি আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে নিজেদের গোনাহ মাফ করিয়ে নেয়ার সুবর্ণ সুযোগ ‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’।

বাড়াবাড়ির কারণ‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’ আসলেই সুন্নাহর বাইরে অনেক কাজ সম্মিলিতভাবে আয়োজন করা হয়। যার কোনোভাবেই বৈধ নয়। তাই সেসব বিষয় থেকে বিরত থাকা খুবই জরুরি। তাহলো-> ‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’ উপলক্ষে পরিবারের জন্য বিশেষ খাবারের আয়োজনের মধ্যমে সারা বছর ভালো খাবার পাওয়ার বিশ্বাস ও আয়োজন থেকে বিরত থাকা।

> ‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’-এ আনন্দ বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে মারাত্মক শব্দ দুষণের হাতিয়ার ফটকা ও আতশবাজী ইত্যাদি থেকে বিরত থাকা।

> ‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’-এ গোনাহ মাফের নিয়তে সন্ধ্যা রাতে গোসল করা থেকে বিরত থাকা। ঘরে, আঙিনায়, কবরে মোমবাতি-আগরবাতি জ্বালানো ও গোলাপজল ছিটানো থেকে বিরত থাকা।

> ‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’-এ বাড়ি ঘর আলোকসজ্জা, কবরস্থানে আলোকসজ্জা ইত্যাদিও পরিহার করা আবশ্যক। কারণ শবে বরাতের নামে ইসলামে এ সব মারাত্মক সীমালঙ্ঘন। তা কোনোভাবে বৈধ নয়।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ‘লাইলাতান নিসফে মিন শাবান’ তথা শাবান মাসের মধ্য রাতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার তাওফিক দান করুন। হাদিসের ওপর আমল করার তাওফিক দান করুন। সুন্নাহ বহির্ভূত কাজ থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। এ রাত সম্পর্কে বিতর্ক, বাড়াবাড়ি ও ছাড়াছাড়ি পরিহার করার তাওফিক দান করুন।
                  আমিন। 🤲🤲

#শবে_বরাত
#Shabe_Barat